Business News

শিল্পায়নে অবাধ ঋণ প্রদান ও ঋণখেলাপি : ব্যাধির গোড়াপত্তন আশিতেই

উচ্চপ্রবৃদ্ধির মধ্যেও বড় সংকটে আর্থিক খাত। এ সংকটের কারণ মূলত শিল্পায়নে অবাধ ঋণের জোগান ও তা ব্যাংকে ফেরত না আসা। আর এ সংস্কৃতি আর্থিক খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। আর্থিক খাতে তৈরি হচ্ছে বিপুল খেলাপি ঋণ। ব্যাংকিং খাতের তথ্য-উপাত্ত বলছে, এ ব্যাধির গোড়াপত্তন ও ব্যাপ্তি আশির দশকেই।

বিনিয়োগ ও শিল্পায়নে ব্যাংকঋণ অবাধ করে তুলতে আশির দশকে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের বিরাষ্ট্রীয়করণের পাশাপাশি ওই সময় ব্যক্তি খাতে বাণিজ্যিক ব্যাংক পরিচালনারও সুযোগ তৈরি করে দেয়া হয়। এরশাদ সরকারের নতুন এসব সংস্কার কর্মসূচি আর্থিক খাতের অগ্রাধিকারগুলোকে রীতিমতো বদলে দেয়। বিতরণকৃত ঋণের টাকা আদায়ের বদলে নতুন করে ঋণ বিতরণের ওপর জোর দিয়ে সাজানো হয় ব্যাংকিং খাতের প্রণোদনা কর্মসূচি। এতে বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন বাড়ে ঠিকই, কিন্তু আর্থিক খাতে শুরু হয় মারাত্মক বিশৃঙ্খলা।

গবেষক মোস্তফা আশির দশকে তত্কালীন শিল্প গ্রুপের সম্পদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি গবেষণা করেন। ওই গবেষণায় দেখা যায়, ১৯৮৪-৮৫ সালের দিকে ১০ কোটি টাকার বেশি মূল্যমানের স্থাবর সম্পত্তি ছিল সীমিতসংখ্যক কয়েকটি শিল্প গ্রুপের। এ পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি ছিল যে ১২টি শিল্প গ্রুপের, তার অন্যতম জহুরুল ইসলাম গ্রুপ। গ্রুপটির অধীন সব শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন স্থাবর সম্পত্তির মোট মূল্য ছিল ২৩ কোটি ৫৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় বেক্সিমকো গ্রুপের মালিকানায় ছিল ২৩ কোটি ৫২ লাখ ৩০ হাজার টাকার স্থাবর সম্পত্তি। তৃতীয় স্থানে থাকা কাসেম গ্রুপের মালিকানায় স্থাবর সম্পত্তি ছিল ২০ কোটি ৭২ লাখ ৩০ হাজার টাকার। ১০ কোটি টাকার বেশি মূল্যের স্থাবর সম্পত্তির অধিকারী অন্যান্য শিল্প গ্রুপের তালিকায় ছিল যথাক্রমে হোসেন গ্রুপ, মুন্নু গ্রুপ, ইস্পাহানী গ্রুপ, এরবা (আগা ইউসুফ), প্যান্থার (মুহম্মদ ভাই), ইসলাম, এ কে খান, ভূঁইয়া ও ফিনিক্স গ্রুপ।

সেই সময় ব্যক্তি খাতের শিল্পায়ন সম্প্রসারণ ও নতুন শিল্পায়নে আর্থিক খাতের অগ্রাধিকার বদলে ফেলা হয়। ফলে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় বেশকিছু প্রশাসনিক সংকটও তৈরি হয় সে সময়। ভালো ঋণগ্রহীতা বা লাভজনক প্রকল্প চিহ্নিত করার জন্য আদর্শ কোনো মূল্যায়ন ব্যবস্থা তখনো গড়ে ওঠেনি। উপরন্তু ব্যাংকসহ ঋণ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ প্রকল্প বা ঋণগ্রহীতা বাছাইয়ের কোনো স্বাধীনতাও ছিল না। এক্ষেত্রে প্রায়ই রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে চলতে হয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

পরিসংখ্যান বলছে, শিল্প খাতের জিডিপিতে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর ঋণের অংশ ১৯৭৮-৭৯ অর্থবছরে ছিল ১৩ শতাংশ। ১৯৮৬-৮৭ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫৩ শতাংশে।

বাছবিচারহীন ঋণ বিতরণের কারণে এ সময় অর্থনীতিতে মুদ্রাপ্রবাহ বেড়ে গিয়ে মূল্যস্ফীতি প্রকট রূপ ধারণ করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ১৯৮২-৮৩ অর্থবছরে দেশে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৪ দশমিক ৯০ শতাংশ। পরের অর্থবছরেই তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ দশমিক ৬২ শতাংশে। ১৯৮৬-৮৭ অর্থবছর পর্যন্তও মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১০ শতাংশের উপরেই। ১৯৮৯-৯০ সালের আগ পর্যন্ত তা ৫ শতাংশের নিচে নামানো যায়নি।

মূলত আর্থিক সক্ষমতা ও সম্ভাবনার বদলে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে সখ্য বা রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতেই ঋণ বিতরণ করা হয় সে সময়। ফলে কৃষি ও শিল্প উভয় খাতেই ঋণখেলাপির পরিমাণ বেড়েছে। ১৯৮৫-৮৬ অর্থবছর শেষে কৃষি খাতে বিতরণকৃত ঋণ আদায়ের হার ছিল মাত্র ২৭ শতাংশ। তবে শিল্প খাতের পরিস্থিতি ছিল আরো করুণ।

বিশেষ করে শিল্প খাতের জন্য বিশেষায়িত ব্যাংক বা ঋণ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে (ডিএফআই) এ সময় বেশ বিপাকে পড়তে হয়। সে সময় শিল্পোদ্যোক্তাদের দীর্ঘমেয়াদি ঋণের সবচেয়ে বড় দুটি উৎস ছিল বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক (বিএসবি) ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা (বিএসআরএস)। এছাড়া বড় ধরনের প্রকল্পে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) সহায়তা নেয়ারও সুযোগ ছিল। ১৯৮১-৮২ সাল থেকেই ব্যক্তি খাতে এসব উৎস থেকে ঋণ বিতরণের পরিমাণ ব্যাপক হারে বেড়ে যায়। পরবর্তী সময়ে এসব ব্যাংকের অ্যাসেট পোর্টফোলিওতে খেলাপি ঋণের অংশ এতটাই বেড়ে যায় যে এগুলোর টিকে থাকার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সে সময় ব্যক্তি খাতে শিল্প স্থাপনের জন্য বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর প্রতিশ্রুত মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৪০ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৬২২ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়। এর সিংহভাগই পরবর্তী সময়ে অনাদায়ী হয়ে পড়ে।

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনের শুরুর দিকে শিল্প খাতের বিশেষায়িত ব্যাংক নিয়ে দুটি মার্শাল ল কমিটি স্থাপন করা হয়। এর মধ্যে একটির কাজ ছিল ডিএফআইগুলোর তারল্য সংকটের বিষয়টি দেখভাল করা। আরেকটির কাজ ছিল ডিএফআইয়ের অর্থায়নে গৃহীত প্রকল্পগুলোর দ্রুত বাস্তবায়নের বাধাগুলো চিহ্নিত করা। এ দুই কমিটির উত্থাপিত বিভিন্ন প্রশ্ন বা প্রতিবেদন কখনই জনসমক্ষে আসেনি।

এরশাদ সরকারের আমলে ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে শক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের তেমন কোনো নিদর্শন পাওয়া যায় না। আজিজ মোহাম্মদ ভাই বা দীন মোহাম্মদের মতো দুয়েকজন শিল্পপতিকে এ অজুহাতে আটক করা হলেও তাদের গ্রেফতারের পেছনে বিশেষায়িত ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফেরানোর উদ্দেশ্য কতটা কাজ করেছে, সে বিষয়টিও বেশ প্রশ্নবিদ্ধ ছিল।

দেখা গেছে, শিল্প খাতে বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মোট খেলাপি ঋণের বড় একটি অংশ আটকা পড়েছে গুটিকয়েক ঋণগ্রহীতার কাছে। বিশেষ করে বৃহদায়তনের প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে এ খেলাপের পরিমাণ ছিল বেশি। ১৯৮৪ সালের ৩০ জুনের হিসাব অনুযায়ী, ডিএফআই থেকে গৃহীত ঋণের ১১৩ কোটি টাকা অনাদায়ী হয়ে পড়েছে ব্যক্তি খাতের ৪৪টি বড় প্রকল্পে। ওই অর্থবছর শিল্প খাতের বিশেষায়িত ব্যাংক থেকে ব্যক্তি খাতে বিতরণকৃত ঋণের ৩১ শতাংশই আটকে ছিল বেসরকারি খাতের মাত্র ৪ শতাংশ প্রকল্পে। ১৯৮৭ সালের মে মাসে এসে দেখা গেল বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংকের অর্থায়নকৃত মাত্র ২ শতাংশ প্রকল্পের মাধ্যমে অনাদায়ী হয়ে পড়েছে ব্যক্তি খাতের মোট খেলাপি ঋণের ২২ শতাংশ। মোদ্দা কথা, গুটিকয়েক পরিবারের সমৃদ্ধির পথ হয়ে দাঁড়ায় ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ। ওই সময় শিল্প খাতের বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোয় তারল্য সংকট তৈরির জন্য প্রায় ২০০টি বড় ঋণগ্রহীতা পরিবারকে দায়ী করেছিলেন আর্থিক খাতের পর্যবেক্ষকরা।

শিল্প খাতের এসব ঋণখেলাপি বিভিন্ন সময়ে নানা আবদার তুলেছেন সরকারের কাছে। ১৯৮৪ সালের নভেম্বরে শিল্পঋণ নিষ্পত্তি বোর্ড স্থাপনের দাবি তোলেন ঋণখেলাপিরা। এর পেছনে তাদের উদ্দেশ্য ছিল, যাতে ঋণের বড় একটি অংশ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্ত হওয়া যায়।

অবাধ এ ঋণপ্রবাহ শিল্পায়নে কতটা কাজে এসেছে, তা নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের পর্যবেক্ষণ হলো, যারা নির্বিচারে নতুন শিল্প স্থাপনে আগ্রহী, তাদের মধ্যে দুই ধরনের লোক রয়েছেন। প্রথম শ্রেণীর মতে, কারখানা হলে কর্ম সৃষ্টির সুযোগ হবে। এতে বেকারত্ব কমবে। এতে প্রচারণারও সুবিধা। কারণ শিল্প ইউনিটের সংখ্যা ও শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পরিসংখ্যানগুলো বেশ মুখরোচক। কাল্পনিক নতুন কর্ম সৃষ্টির পরিসংখ্যান ফলাও করে প্রচার করা যায়। দ্বিতীয় দলে আছেন এমন কিছু লোক, যারা শিল্প স্থাপনের নামে ব্যাংকঋণসহ কিছু সরকারি সুবিধার প্রত্যাশা করেন। তারা উৎপাদনেও আগ্রহী নন, কর্মসংস্থানেও আগ্রহী নন। বরং বর্তমানের শিথিল ব্যাংকঋণ নীতির সুযোগে একটা ঘরের মধ্যে কিছু যন্ত্রপাতি বসিয়ে, চলতি মূলধনের নামে আরো কিছু ব্যাংকঋণ হাতিয়ে নিয়ে কারখানায় তালা ঝুলিয়ে দেন, ‘আরো ঋণ’ না পাওয়ার কারণে শিল্পকে রুগ্ণ ঘোষণা করে ঋণ মওকুফের এবং রুগ্ণ শিল্প পুনরুজ্জীবনের জন্য আরো ঋণ আদায়ের জন্য তদবির ও সংগ্রাম করতে থাকেন। এদের লোকসান নেই। কারণ ঋণের যে অংশ গলাধঃকরণ করেছেন, ওটাই তাদের লাভ। এর চাপটা গিয়ে পড়ে জনসাধারণের আমানত তথা জাতীয় সঞ্চয়ের ওপর। খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ তার এ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে।

রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতেও সে সময় ঋণ খেলাপের হার ছিল অনেক বেশি, যা দিনে দিনে বেড়েছে। এর মধ্যে শুধু অগ্রণী ব্যাংকের দিকে তাকালেই এ চিত্র পরিষ্কার হয়। অগ্রণী ব্যাংকের ১৯৮৬ সালের ৩০ ডিসেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, সে সময় ২২টি ব্যবসায়ী গ্রুপের কাছে ব্যাংকটির মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৮ কোটি টাকার বেশি। ব্যাংকটির স্বল্প ও মধ্যম মেয়াদে বিতরণকৃত ঋণ পরিশোধের হার সে সময় ছিল মাত্র ৯ শতাংশ।

মূলত আশির দশকেই আর্থিক খাতের জন্য দুরারোগ্য এক ব্যাধি হিসেবে প্রকাশ পায় ঋণখেলাপের বিষয়টি। ১৯৯০ সালের ৩০ জুনের হিসাব অনুযায়ী, সে সময় ব্যক্তি খাতে বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মোট ঋণ খেলাপের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা। ঋণগ্রহীতাদের ৯৬ শতাংশই চিহ্নিত হয়েছেন খেলাপি হিসেবে।

এ সমস্যা মোকাবেলায় ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ ও অবলোপনসহ নানামুখী পদক্ষেপ নেয়া হলেও তা আদতে খুব একটা কার্যকর হয়ে ওঠেনি। ১৯৮৬ সালে অর্থঋণ আদালত স্থাপন করেও এ সমস্যার সমাধান করা যায়নি। মূলত রাষ্ট্র ও ঋণখেলাপিদের মধ্যকার যোগসাজশ এ অর্থ আদায়ের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন সংশ্লিষ্টরা।

শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করতে বাছবিচারহীন দেয়া ঋণ আদতে কোনো সুফলই বয়ে আনতে পারেনি। তত্কালীন কিছু পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ১৯৮২-৮৯ সালের মধ্যে দেশে পুঁজি ও শ্রমের উৎপাদনশীলতা ১৯৭৬-৮১ সালের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। ১৯৭৩-৭৪ থেকে ১৯৭৯-৮০ অর্থবছর পর্যন্ত দেশে শিল্পঋণের বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৪ শতাংশ হারে। এ সময় শিল্প উৎপাদনের গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ৭ শতাংশ। অন্যদিকে ১৯৮০-৮১ অর্থবছর থেকে ১৯৮৭-৮৮ পর্যন্ত দেশে শিল্পঋণের বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩০ শতাংশ। যদিও এ সময় শিল্পোৎপাদনের বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ৪ দশমিক ৮ শতাংশে। সব মিলিয়ে বলা চলে, ওই সময়ে ব্যক্তি খাতে ঋণের অবাধ প্রবাহের মাধ্যমে অনর্থক অপচয় ঘটেছে পুঁজির। শিল্প খাতের কাঙ্ক্ষিত বিকাশ আসেনি। যদিও এ সময় ব্যাংক ও জনগণের টাকায় ফুলে-ফেঁপে উঠেছেন অনেকে।

প্রকৃতপক্ষে, হাতে গোনা কয়েকটি পরিবারই শুধু সে সময় আর্থিক খাতের বিরাষ্ট্রীয়করণের সুবিধাটুকু তুলে নিতে পেরেছে। ওই সময়ে মোট ২ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকার আমানত ও ১ হাজার ৭৫৯ কোটি টাকার আর্নিং অ্যাসেটের নিয়ন্ত্রণ চলে গিয়েছিল মাত্র ৩৪টি পরিবারের হাতে। এর মধ্য দিয়ে দেশে উত্থান ঘটে নতুন এক ‘ব্যাংকিং বুর্জোয়া’ শ্রেণীর। দুয়েকটি ব্যতিক্রম বাদে এসব পরিবারের প্রায় সবকয়টিই ছিল ঋণখেলাপি।

Source: The Bonik Barta, 14.07.2019

Link: http://bonikbarta.net/bangla/news/2019-07-14/203134/%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7-%E0%A6%8B%E0%A6%A3-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%93-%E0%A6%8B%E0%A6%A3%E0%A6%96%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%BF-:-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%87/



Choose us to thorw the dice

Reach your target with our company

Here to choose the right key for you

DSE NEWS
Company News & Events